মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

একনজরে বি.সি.এস প্রশাসন একাডেমি

 

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংযুক্ত দপ্তর হিসেবে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমি ২১ অক্টোবর ১৯৮৭ তারিখে যাত্রা শুরু  করে। ১৯৭৭ সালে সিভিল অফিসার্স ট্রেনিং একাডেমি (COTA) হিসেবে রূপান্তরিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এ একাডেমি গেজেটেড অফিসার্স ট্রেনিং একাডেমি (GOTA) হিসেবে পরিচিত ছিল। সিভিল অফিসার্স ট্রেনিং একাডেমি এবং গেজেটেড অফিসার্স ট্রেনিং একাডেমি উভয়ই বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের সকল ক্যাডার কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচালিত হত। প্রতিষ্ঠার পর কিছু সময় এ একাডেমি কেবল বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন ক্যাডারের নবনিযুক্ত এবং মধ্য পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদানে নিয়োজিত ছিল। পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালে পৃথক ফরেন সার্ভিস একাডেমি প্রতিষ্ঠার পূর্ব পর্যন্ত এ প্রশিক্ষণ একাডেমি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস ফরেন এ্যাফেয়ার্স ক্যাডার কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদানের দায়িত্ব পালন করেছে।

 

বি.সি.এস প্রশাসন একাডেমি প্রশাসন ক্যাডার কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য শীর্ষস্থানীয় প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। বি.সি.এস প্রশাসন ক্যাডার কর্মকর্তাদের ভূমি আইন, ফৌজদারি আইন, বিভিন্ন আইন ও বিধিসহ উন্নয়ন প্রশাসন, সুশাসন ব্যবস্থাপনা, সরকারি ক্রয়, তথ্যপ্রযুক্তি, ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা বৃদ্ধি, নৈতিকতা, আদর্শ, মূল্যবোধ এবং দুর্নীতি দমন ইত্যাদি বিষয়ে পেশাগত প্রশিক্ষণ প্রদান করা একাডেমির মূল উদ্দেশ্য। মানব সম্পদ উন্নয়নে এবং প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত নীতি প্রণয়নে সরকারকে সহায়তা করাও একাডেমির অন্যতম দায়িত্ব। একাডেমি কর্তৃক প্রশিক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার উপর বিভিন্ন বই, জার্নাল, গবেষণাপত্র ইত্যাদি প্রকাশ করা হয়ে থাকে। একাডেমি কর্তৃক প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ অর্জনে নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। 

  

তিন মাস মেয়াদি (২১ অক্টোবর ১৯৮৭ হতে ৩০ জানুয়ারি ১৯৮৮) আইন ও প্রশাসন কোর্সের মাধ্যমে একাডেমির প্রশিক্ষণ যাত্রা শুরু হয়। একাডেমির ভিশন- দক্ষ, যোগ্য ও উদ্যোগী পেশাজীবী গণকর্মচারী গড়ে তোলার শ্রেষ্ঠ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হওয়া এবং মিশন- কার্যকর প্রশিক্ষণ ও গবেষণার মাধ্যমে দক্ষ, যোগ্য এবং বিচক্ষণ গণকর্মচারী গড়ে তোলা।

 

একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের উন্নতি নির্ভর করে মূলতঃ যথাযথ ও দক্ষ প্রশাসনিক ব্যবস্থার উপর। এ জন্য প্রয়োজন সময়োচিত নীতি নির্ধারণসহ কৌশলগত ব্যবস্থাপনা। বর্তমানে বি.সি.এস প্রশাসন ক্যাডারে প্রায় ৫০০০ কর্মকর্তা রয়েছেন। সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারীদের প্রত্যেককে বছরে ৬০ ঘণ্টা প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য সরকার কর্তৃক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বি.সি.এস প্রশাসন একাডেমি প্রশাসন ক্যাডার কর্মকর্তাদের জন্য সারা বছর বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে আসছে। ভিশন ২০২১ কে সামনে রেখে ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার লক্ষ্যে প্রশাসন একাডেমি নিজস্ব করণীয় নির্ধারণপূর্বক বিরামহীন গতিতে কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে বি.সি.এস প্রশাসন একাডেমি সুযোগ্য, অভিযোজনশীল এবং জ্ঞানভিত্তিক কর্মকর্তা তৈরি করতে সদা সচেষ্ট। একাডেমি কর্তৃক নবীন এবং মধ্যম সারির কর্মকর্তাদের এ্যানালাইটিক্যাল এবং প্রাকটিক্যাল ট্রেনিং প্রদানের মাধ্যমে তাদের কর্মদক্ষতা এবং যোগ্যতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। অধিকন্ত্তু, জৈষ্ঠ্য সরকারি কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান ভাগাভাগি করারও সুযোগ প্রদান করা হয়ে থাকে। সংক্ষেপে বলা যায়, একাডেমি শৃঙখলাবদ্ধ, দায়িত্বশীল এবং কর্তব্যনিষ্ঠ কর্মকর্তা তৈরির মাধ্যমে মানব সম্পদ উন্নয়নে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বর্তমানে বি.সি.এস প্রশাসন একাডেমি প্রশাসন ক্যাডার কর্মকর্তা ছাড়াও অন্যান্য ক্যাডার কর্মকর্তাগণের জন্য বুনিয়াদি প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্স আয়োজন করে থাকে। ফলে, স্বনামধন্য এ প্রশিক্ষণ একাডেমির উপকারভোগী শুধুমাত্র প্রশাসন ক্যাডার কর্মকর্তাগণ হলেও পরোক্ষভাবে প্রজাতন্ত্রের সকল নাগরিক এর সেবা ও সুফল পেয়ে থাকেন।

 

রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র ও ব্যস্ততম শাহবাগ এলাকায় ২.২৩ একর ভূমির উপর প্রশাসন একাডেমির অবস্থান । এর খুব নিকটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, বারডেম হাসপাতাল, জাতীয় যাদুঘর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত। শুরুতে মাত্র আট জন অনুষদ সদস্য নিয়ে একাডেমি যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে অনুষদ সদস্য ও সহযোগী কর্মচারীসহ মোট ১২০ জন জনবল নিয়ে একাডেমি তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। প্রশাসন ক্যাডারের সচিব পদমর্যাদার একজন সম্মানিত সদস্য একাডেমির রেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া একজন এমডিএস, চারজন পরিচালক, ছয়জন উপপরিচালক, একজন প্রোগ্রামার, চারজন সহকারী পরিচালক, একজন সিনিয়র লাইব্রেরিয়ান, একজন মেডিক্যাল অফিসার, একজন গবেষণা কর্মকর্তা, একজন প্রকাশনা কর্মকর্তা ও একজন হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তাসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য জনবল নিয়ে একাডেমি কার্যক্রম পরিচালনা করেছ। একাডেমি প্রশাসন, সেবা, প্রশিক্ষণ, তথ্য প্রযুক্তি, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন, হিসাব ও লাইব্রেরী শাখার মাধ্যমে যাবতীয় কার্য নির্বাহ করে থাকে।   

 

প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত তথ্যাদিঃ

ক্রমিক

কোর্সের নাম

কোর্সের সংখ্যা

প্রশিক্ষণার্থীর সংখ্যা

মোট প্রশিক্ষণার্থীর সংখ্যা

পুরুষ

মহিলা

০১

আইন ও প্রশাসন কোর্স

১০৩

৩৬০৬

৮৮৩

৪৪৮৯

০২

বিশেষ আইন ও প্রশাসন কোর্স

০৫

২০৩

১৭

২১৭

০৩

অবহিতকরণ কোর্স

০৩

৭৫

৪৫

১২০

০৪

সচিবালয় কোর্স

০২

৫৩

১০

৬৩

০৫

ভূমি আইন কোর্স

০২

৫৮

-

৫৮

০৬

উচ্চতর আইন ও প্রশাসন কোর্স

৩৮

৫৭৪

১৯

৫৯৩

০৭

পররাষ্ট বিষয়ক কোর্স

০৪

২৯

০৩

৩২

০৮

সঞ্জীবনী কোর্স

০৬

৯১

১৩

১০৪

০৯

উপজেলা প্রশাসন ও উন্নয়ন কোর্স

১২

২৪৯

২৩

২৭২

১০

ফিটলিস্টভুক্ত ইউএনওদের ওরিয়েন্টেশন কোর্স

২৪

৪৯৮

১৪৭

৬৪৫

১১

বিশেষ উচ্চতর আইন ও প্রশাসন কোর্স

০২

৩০

০৮

৩৮

১২

দুর্নীতি প্রতিরোধ সহায়ক কোর্স

১৫

৩০১

৬৭

৩৬৮

১৩

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের কোর্স

১১

২০৫

৮৯

২৯৪

১৪

Public Management Course

০১

১১

০৫

১৬

১৫

''Masters in Public Policy and Management (MPPM)Ó

০৫

১০৪

২৭

১৩১

১৬

উন্নয়ন প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা কোর্স

২০

৪৬৯

৫৭

৫২৬

১৭

কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স

০৮

১৩৮

৩০

১৬৮

১৮

সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ কোর্স

১৯

৩৫৭

১০৬

৪৬৩

১৯

ইংলিশ ল্যাংগুয়োজ কোর্স

০৫

১০১

২৬

১২৭

২০

পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা কোর্স ইন গভর্ন্যান্স স্টাডিজ

০৫

৯০

১৮

১০৮

২১

বাংলাদেশ নির্বাচন কর্মকর্তাদের জন্য বুনিয়াদি কোর্স

০২

৭৯

০১

৮০

২২

দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কোর্স

০৬

১৭৫

৩৬

২১১

২৩

বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স (এ ৬৫তম চলমান)

০৮

১৮৯

১২৬

৩১৫

২৪

পাবলিক রিলেশন ম্যানেজমেন্ট কোর্স

০১

১৮

০৩

২১

২৫

নির্মাণ পরিদর্শন পরিবীক্ষণ প্রশিক্ষণ কোর্স

০১

১৬

০১

১৭

২৬

প্রকল্প ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ কোর্স

০১

১০

০৫

১৬

২৭

জেলা প্রশাসকগণের প্রশিক্ষণ কোর্স

০১

২১

০৭

২৮

২৮

গভার্নেন্স ইনোভেশন কোর্স

০৪

১০২

১৮

১২০

২৯

দুর্নীতি দমন কমিশনের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স

০১

২৯

০১

৩০

৩০

অন্যান্য কোর্স

৩১

৬০৬

১১৮

৭৯৪

৩১

National Integrity training course

০২

১১৬

৪০

১৫৬

 

সর্বমোট= (দশ হাজার ছয়শত বিশ)

৩৪৮

৮৬০৩

১৯৪৯

১০৬২০

ভবন সংক্রান্ত তথ্যাদিঃ

 

ক্রমিক নং

ভবনের নাম

আবাসিক কক্ষের সংখ্যা

আবাসিক কক্ষের

মোট সিট সংখ্যা

এক সিট বিশিষ্ট

দুই সিট বিশিষ্ট

১।

নতুন ভবন

৩৫

২৮

৩৫ + ৫৬ = ৯১

২।

পুরাতন ভবন

-

৩৬

৭২

সর্বমোট

১৬৩

 

কক্ষ সংক্রান্ত তথ্যাদিঃ

 

শ্রেনী কক্ষ

কম্পিউটার ল্যাব

ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব

কনফারেন্স কক্ষ

অডিটোরিয়াম

আধুনিক জিম

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

খেলাধূলার সুবিধা সংক্রান্ত তথ্যাদিঃ

 

ইনডোর সুবিধাসমূহ

 

ভবনের নাম

খেলার নাম

সরঞ্জামের একক সংখ্যা

নতুন ভবন

টেবিল টেনিস

কেরাম

বিলিয়ার্ড

পুরাতন ভবন

টেবিল টেনিস

কেরাম

দাবা

বিলিয়ার্ড

 

আউটডোর সুবিধাসমূহ

 

(ক) লন টেনিস -১

(খ) বাস্কেটবল-১

(গ) ব্যাডমিন্টন - ৩

(ঘ) ভলিবল -১


Share with :
Facebook Facebook